ভ্রমণে পানিশূন্যতা। ভ্রমণ টিপস - Travel tips

ভ্রমণে পানিশূন্যতা। ভ্রমণ টিপস - Travel tips


আমরা প্রায় সবাই ভ্রমণ করতে চাই। তবে ভ্রমণ করার ক্ষেত্রে আমাদের অনেক বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হয়। নিজেদের মধ্যে অন্যতম হলো পানি পান করা বা পানির সমতা রক্ষা করা।

আমরা যখন ভ্রমণে যায় তখন অনেক সময় আমরা পানি পান করতে চাই না। বা পানি পান করার প্রয়োজনীয়তা মনে করি না। অথবা আমরা যখন যা মনে চায় তখন আমরা তেমন একটা খেতে চায় না। এবং অনেক সময় দেখা যায় পানির অভাব দেখা দিতে পারে। আমরা পানি খাবার জন্য পায় না বা বিভিন্ন সময়ে আমাদের হাতের নাগালে পানি থাকে না  এক্ষেত্রে যখন আমরা পানি পান করে না তখন আমাদের শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।

তখন যদি আমাদের শরীরে পানিশূন্যতা দেখা যায়। তাহলে তো আমাদের শরীরের সমস্যা হবার কথা তো আমাদেরকে অবশ্যই ভ্রমণে গেলে পানির অভাব পূরণ করতে হবে। পানিশূন্য থাকেন নিজেকে রক্ষা করতে হবে যতটা সম্ভব পানির অভাব বা পানির ঘাটতি পূরণ করতে হবে। আমাদের শরীরে কোনো রকম পানির অভাব দেখা দেওয়া যাবে না আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে আমাদের শরীরে কোনো রকম প্রাণীর ঘাটতি দেখা যাতে না দেয় সে পদক্ষেপ আমাদেরকে নিতে হবে। সেরকম আমাদের কিছু করতে হবে যাতে করে আমরা পানি শূন্যতায় ভোগে পানিশূন্যতার কোন রকম সমস্যায় আমাদের না হয়। এসব বিষয়গুলো আমরা যদি লক্ষ্য রাখি তাহলে ভ্রমণে গেলে হয়তো আমাদের পানির অভাব হবে না। পানির ঘাটতি হবে না পানির জন্য কোনরকম সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে না।

কিন্তু বিভিন্ন সময় দেখা যায় আমাদের নিজেদের জন্যই আমরা পানিশূন্যতায় ভুগে থাকি। পানির অভাব আমরা হয়ে থাকি পানির জন্য আমাদের সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে। আমাদের শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে আমাদের নিজেদের অবহেলার জন্য অনেক সময় আমরা পানি পানি না পানির অভাব আমরা দেখতে হয়।

আমরা নিজেরা যদি একটু সতর্ক হয়ে ভ্রমণে গেলে সে ক্ষেত্রে হয়তো আমাদের পানির ঘাটতি দেখা দেবে না। আমরা যদি ভ্রমণে গেলে নিজেরা একটু সতর্ক মত চলি একটু পানির দিকে খেয়াল রাখি পানি খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা মনে করি আমরা যদি পানের ব্যবস্থা করে তাহলে হয়তো আমাদের সেরকম সমস্যার সৃষ্টি হবে না। যেরকম আমরা যদি অবহেলা করে বা আমরা যদি প্রতি খেয়াল রেখে সেখানে যেতে সমস্যা হবার কথা অন্ততপক্ষে এতটুকু হবে না। যদি আমরা নিজেরা একটু যত্নবান হয়ে থাকেন আমরা নিজের একটু খেয়াল করে।

ভ্রমণে গেলে পানিশূন্যতা কে আমরা অবহেলায় ফেলে দিয়ে থাকি ব্রাহ্মণের যখন আমরা যায় তখন আমরা পানির প্রতি মোটেও খেয়াল হয় না। আমরা পানি সাদা রাখার বা পানি খাওয়ার প্রয়োজন মনে করিনা। আমরা নিজেরাই ভ্রমণ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে তবে এটা আমরা খেয়াল করি না। যে আমাদের নিজেদের শরীরটা আছে আমরা ভ্রমণ করে যতটা ব্যস্ত হবে আমাদের নিজের শরীর নিয়ে ততটা ব্যস্ত হতে হবে আমাদের শরীরে পানির অভাব হতে পারে। পানির অভাব এর জন্য যে আমাদের শরীরে কোনো রকম সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। সেগুলো আমাদেরকে খেয়াল করতে হবে এসব বিষয়গুলো রক্ষা করি তাহলে হয়তো আমরা পানিশূন্যতা সেটা বুঝতে পারব।

Post a Comment

Previous Post Next Post